ভোটার নিবন্ধন করেছেন কিন্তু এখনো আইডি কার্ড হাতে পাননি? ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন মোবাইল দিয়েই। বিস্তারিত জানতে পারবেন এখানে।
নতুন ভোটার নিবন্ধন করার পর সাধারণত এক থেকে তিন মাসের মাঝে এনআইডি কার্ডের নাম্বার এসএমএস করে জানিয়ে দেয়া হয়। যারা এসএমএস পেয়েছেন এবং যারা পাননি, সবাই নিজেদের এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়েই আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে, ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে দুইটি মোবাইল বা একটি মোবাইল এবং একটি কম্পিউটার লাগবে। চলুন, বিস্তারিত পদ্ধতি দেখে নেয়া যাক।
ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে কী কী লাগবে
অনলাইন থেকে এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি বা পিডিএফ ডাউনলোড করা যায়। এই পিডিএফটি যেকোনো কম্পিউটারের দোকান থেকে লেমিনেটিং করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। NID Card Download করতে যা যা লাগবে —
- দুইটি মোবাইল বা একটি মোবাইল এবং একটি কম্পিউটার
- ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার বা ভোটার স্লিপ নাম্বার
- জন্ম তারিখ
- যে ব্যক্তির আইডি কার্ড, তাকে থাকতে হবে
এই জিনিসগুলো থাকলে নিচে উল্লিখতি পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার NID Card Download করতে পারবেন এখনই।
NID Card Download
জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করতে উপরের তথ্যগুলো একত্র করুন। এরপর, নিচের তালিকায় উল্লিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
যদি দুইটি মোবাইল থাকে, তবে দুইটি মোবাইলের যেকোনো একটিতে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন। যদি একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল থাকে, তবে কম্পিউটারে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন। মোবাইল দিয়ে ফেস স্ক্যান করতে হবে।
- https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account এই লিংকে ক্লিক করুন।
- নতুন উইন্ডো ওপেন হবে, সেখানে একটি ফর্ম দেখতে পাবেন।
- প্রথম ঘরে আপনার এনআইডি নাম্বার লিখুন বা NIDFN467223874 এভাবে স্লিপ নাম্বার লিখুন।
- দ্বিতীয় ঘরে দিন-মাস-বছর ফরম্যাটে জন্ম তারিখ লিখুন।
- ছবিতে দেখানো ক্যাপচা কোডটি নিচের ফাঁকা ঘরে লিখুন।
- সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন, পপআপ আসলে বহাল বাটনে ক্লিক করুন।
- আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচন করুন।
- নিবন্ধনের সময় ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি দেখতে পাবেন, বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করুন।
- নাম্বারে ওটিপি আসলে সেটি ফাঁক ঘরে বসিয়ে এন্টার করুন।
- একটি QR Code দেখতে পাবেন।
- মোবাইলে গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর ওপেন করে NID Wallet লিখে সার্চ করুন।
- অ্যাপটি খুঁজে পেলে ইনস্টল করুন এবং ওপেন করুন।
- অ্যাপ ওপেন করে ভাষা নির্বাচন করুন এবং সকল পারমিশন দিন।
- ক্যামেরা ওপেন হলে আগের ডিভাইসে যে QR Code পেয়েছেন, সেটি স্ক্যান করুন।
- অতঃপর, যে ব্যক্তির এনআইডি কার্ড তার ফেস স্ক্যান করতে হবে অ্যাপে দেখানো পদ্ধতিতে।
- ফেস স্ক্যান সম্পন্ন হলে আপনার একাউন্টে পাসওয়ার্ড সেট করার অপশন পাবেন। চাইলে এড়িয়ে যেতে পারেন।
- ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করার পর একাউন্টে লগইন হবে।
- প্রোফাইল থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার অপশনে ক্লিক করলে পিডিএফটি ডাউনলোড হবে।
এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। এই পদ্ধতিগুলো ছবিসহ নিচে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন।
ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম
উপরে উল্লিখিত পদ্ধতিটিই এখানে ছবিসহ আরও বিস্তারিত ধাপে ধাপে দেখানো হয়েছে। এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করে আপনার এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।
ধাপ ১ – অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার
https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/claim-account এই লিংকে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মতো ইন্টারফেস আসবে। এখানে প্রথম ঘরে আপনার এনআইডি নাম্বার লিখুন যেটি এসএমএস এ পেয়েছেন। যদি এসএমএস না পেয়ে থাকেন, তবে NIDFN লিখুন এবং স্পেস না দিয়েই ভোটার স্লিপ নাম্বার লিখুন। উদাহরণ- NIDFN27631237 এভাবে।
দ্বিতীয় ঘরে দিন-মাস-বছর — এভাবে জন্ম তারিখ লিখুন। উদাহরণ – জন্ম তারিখ ২৯ মার্চ ২০০৫ হলে যেভাবে লিখবেন — 29 03 2005 । ছবিতে একটি ক্যাপচা কোড পাবেন, সেটি নিচের ফাঁকা ঘরে লিখে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো পপআপ আসবে, এখানে বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ২ – ঠিকানা নির্বাচন
বহাল বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মতো ইন্টারফেস আসবে। এখানে, আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা সিলেক্ট করতে হবে। ড্রপ-ডাউন অপশনগুলোতে ক্লিক করে বিভাগ, জেলা, উপজেলা নির্বাচন করুন। শেষে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৩ – নাম্বার ভেরিফিকেশন
এই ধাপে নিচের ছবির মতো ইন্টারফেস আসবে। এখানে ভোটার নিবন্ধন করার সময় যে মোবাইল নাম্বারটি ব্যবহার করেছিলেন, সেটি দেখতে পারবেন। নাম্বারটি সাথে থাকলে বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করুন। যদি নাম্বারটি হারিয়ে যায়, সেক্ষেত্রে নাম্বার আপডেট করতে পারবেন।

বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করলে উক্ত নাম্বারে একটি ওটিপি কোড আসবে। কোডটি ফাঁকা ঘরে বসিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৪ – ফেস ভেরিফাই
এই ধাপে একটি QR Code দেখতে পারবেন। আপনার অন্য মোবাইল থেকে গুগল প্লে স্টোর ওপেন করুন বা অ্যাপ স্টোর ওপেন করুন। NID Wallet লিখে সার্চ করুন এবং অ্যাপটি পেয়ে গেলে ইনস্টল করুন।

ইনস্টল শেষে অ্যাপটি ওপেন করুন, ভাষা নির্বাচন করুন এবং সকল পারমিশন দিন। ক্যামেরা ওপেন হলে আগের ফোন/কম্পিউটারে পাওয়া QR Code টি স্ক্যান করুন। স্ক্যান হলে অ্যাপ এ ফেস স্ক্যান করতে বলবে। যে ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ড, তার ফেস স্ক্যান করুন অ্যাপে দেখানো নিয়ম অনুসরণ করে।
ধাপ ৫ – ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড
ফেস স্ক্যান করা হলে যে ফোন/কম্পিউটারে QR Code ছিলো, সেখানে অটোমেটিক একটি পেজ আসবে। এখানে, আপনার এনআইডি একাউন্টে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করতে বলবে। একাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে এবং পরবর্তীতে সহজে লগইন করতে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করুন।
ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করতে সেট পাসওয়ার্ড বাটনে ক্লিক করুন।

প্রথম ঘরে একটি ইউনিক ইউজারনেম লিখুন যেটি আগে কেউ ব্যবহার করেনি, এমন। অতঃপর, নিচের দুইটি ঘরে পাসওয়ার্ড লিখুন। একই পাসওয়ার্ড দুইটি ঘরেই লিখতে হবে।

পাসওয়ার্ড সেট করতে না চাইলে এড়িয়ে যান বাটনে ক্লিক করবেন। তাহলে, সরাসরি এনআইডি প্রোফাইলে লগইন হয়ে যাবে।
ধাপ ৬ – এনআইডি কার্ড ডাউনলোড
এনআইডি প্রোফাইলে লগইন হলে অনেক অপশন দেখতে পারবেন। এখানে ডাউনলোড নামে একটি অপশন পাবেন। এটিতে ক্লিক করলে আপনার ফোন/কম্পিউটারে আপনার এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড হবে।

অর্থাৎ, এনআইডি কার্ডের পিডিএফ ডাউনলোড হবে। এই পিডিএফটি ওপেন করে আপনার কার্ডটি দেখতে পারবেন। যেকোনো কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে এই পিডিএফ দিয়ে কার্ডটি লেমিনেটিং করে নিতে পারবেন এবং ব্যবহার করতে পারবেন সকল কাজে।
মোবাইল দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার যে পদ্ধতি এখানে দেখানো হয়েছে, পুরো পদ্ধতিটিই আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন। তবে, ফেস স্ক্যান করার জন্য অবশ্যই আরেকটি মোবাইল ফোন লাগবে। NID Wallet ব্যবহার করে ফেস স্ক্যান করতে হবে।
যদি আপনার কাছে কম্পিউটার থাকে, তবে পদ্ধতিটি কম্পিউটার দিয়ে অনুসরণ করুন এবং আপনার মোবাইল দিয়ে ফেস স্ক্যান করুন। আর যদি কম্পিউটার না থাকে, সেক্ষেত্রে আপনার ফোন দিয়ে পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন এবং পরিবার বা বন্ধুর ফোন থেকে QR Code টি স্ক্যান করে ফেস ভেরিফাই করুন।
নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
যারা নতুন ভোটার হয়েছেন এবং এসএমএস এর মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার পেয়েছেন, তারা এবং যারা এসএমএস পাননি, সবাই এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।
যারা এসএমএস পেয়েছেন তারা ফর্ম পূরণ করার সময় সরাসরি এনআইডি কার্ডের নাম্বারটি ব্যবহার করতে পারবেন। যারা এসএমএস পাননি, তারা ভোটার স্লিপের নাম্বারটি ব্যবহার করবেন। তবে, ভোটার স্লিপের নাম্বারের শুরুতে NIDFN লিখতে হবে।
আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে এসেছে কিনা জানা না থাকলে, ভোটার আইডি কার্ড চেক করে দেখুন। বিস্তারিত এই পোস্টটিতে জানতে পারবেন।
নতুন ভোটার হতে চাচ্ছেন কিন্তু ভোটার হতে কী কী লাগে জানেন না? তাহলে ভোটার আইডি কার্ড করতে কি কি লাগে এই পোস্টটি পড়ুন।
পুরাতন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
অনেক আগে ভোটার হয়েছেন কিন্তু এনআইডি কার্ড পাননি বা আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি হারিয়ে গেলেও অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। অর্থাৎ, পুরাতন ভোটাররাও চাইলে অনলাইন থেকে তাদের এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
এক্ষেত্রে, একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। উপরে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রোফাইল থেকে আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তবে, যদি ডাউনলোড করার অপশন না থাকে, সেক্ষেত্রে ভোটার আইডি কার্ডটি রি-ইস্যু আবেদন করতে হবে। আবেদন করতে ২৩০ টাকা প্রয়োজন হবে। আবেদন অনুমোদন হলে ডাউনলোড করতে পারবেন।
সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
যারা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছেন এবং আইডি কার্ড সংশোধন সম্পন্ন হওয়ার এসএমএস পেয়েছেন, তারা অনলাইন থেকে সংশোধিত আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
আপনি যদি অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করার সময় ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট করে থাকেন, তবে সেটি দিয়ে সহজেই প্রোফাইলে লগইন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে, https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ এই লিংকে ক্লিক করে একটু নিচের দিকে স্ক্রোল করতে হবে। সেখানে লগইন ফর্ম পাবেন। ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড লিখুন এবং ক্যাপচা লিখে সাবমিট করুন। অতঃপর, প্রোফাইল থেকে আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করুন।
যদি ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড সেট না করে থাকেন, তবে উপরে দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করে আবারও অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করতে হবে।
স্লিপ নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
ভোটার স্লিপ নাম্বার বা ফর্ম নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করার সময় এনআইডি নাম্বারের ঘরে NIDFN লিখতে হবে এবং ফাঁকা না রেখেই স্লিপ নাম্বারটি লিখতে হবে। উদাহরণ – NIDFN43878439 এভাবে লিখতে হবে।
এভাবে স্লিপ নাম্বার লিখুন এবং জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন এবং পপআপ আসলে বহাল বাটনে ক্লিক করুন। অতঃপর, এখানে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
হারানো ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড
ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে আপনার কার্ডটি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার কার্ডটির নাম্বার বা ভোটার স্লিপ নাম্বার জানা থাকতে হবে। যদি মুখস্থ না থাকে, তবে আপনার কাছে ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি আছে কিনা দেখুন। সেখানে ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বারটি পাবেন।
ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার এবং জন্ম তারিখ জানা থাকলে এখানে ক্লিক করে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার হারানো আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করতে পারবেন। তবে, আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে থানায় একটি জিডি করে নেয়া ভালো। এতে আপনার আইডি কার্ডটি পেয়ে কেউ অপরাধমূলক কাজ করলে আপনি জিডিটি প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
সারকথা
এখানে উল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। NID Card Download করতে কোনো সমস্যা মনে হলে আমাদেরকে প্রশ্ন করতে নিচে কমেন্ট করুন বা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও নিচের প্রশ্নোত্তর সেকশনে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর
NID Card Online Download করার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর নিচে দেয়া হয়েছে। এখানে আপনার প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেতে পারেন।
ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে কি কোনো ফি লাগে?
না, এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে কোনো ফি বা টাকা লাগেনা। অনলাইন থেকে ফ্রিতেই ডাউনলোড করতে পারবেন।
মোবাইল ফোন দিয়ে কি NID Card ডাউনলোড করা যায়?
হ্যাঁ, মোবাইল ফোন দিয়েই NID Card Download করা যায়। তবে, দুইটি মোবাইল ফোন প্রয়োজন হবে।
NID নম্বর বা ফরম নম্বর ছাড়া কি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাবে?
না, এনআইডি কার্ডের নাম্বার বা ভোটার স্লিপ নাম্বারের যেকোনো একটি অবশ্যই প্রয়োজন হবে। এই দুইটির একটিও না থাকলে ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি কর্পোরেশন/নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করুন।
মোবাইলে এসএমএস না পেলে কি এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করা সম্ভব?
হ্যাঁ, এসএমএস না পেলেও আপনার ভোটার স্লিপ নাম্বারটি দিয়ে আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।
স্মার্ট কার্ড কি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা যায়?
না, স্মার্ট এনআইডি কার্ড হলো চিপযুক্ত একটি প্লাস্টিকের কার্ড। এটি শুধুমাত্র সরকার কর্তৃক বিতরণ করা হলে তবেই সংগ্রহ করতে পারবেন।
